বাগেরহাট প্রতিনিধি:
খান জাহান আলীর মাজার এলাকায় একটি কুকুরকে কুমিরের শিকার হওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভিন্ন তথ্য।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাজারের পুকুরঘাটের সিঁড়িতে একটি কুকুর পড়ে আছে। এ সময় একটি কুমির ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে কুকুরটিকে কামড়ে ধরে পানিতে টেনে নিয়ে যায়। আশপাশে থাকা দর্শনার্থীরা ঘটনাটি দেখলেও কেউ কুকুরটিকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি—যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুকুরটি গত তিন-চার দিন ধরে আক্রমণাত্মক আচরণ করছিল এবং মাজার এলাকায় বিভিন্ন মানুষকে আক্রমণ করছিল। একপর্যায়ে স্থানীয়দের ধাওয়ার মুখে পড়ে কুকুরটি পুকুরের সিঁড়িতে চলে আসে। ঠিক সেই সময় কুমিরটি ঘাটে উঠে এলে এই ঘটনা ঘটে।
মাজারসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা রাসেল জানান, কুকুরটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কুমিরের সামনে দেওয়া হয়নি। এটি সম্পূর্ণ আকস্মিক ঘটনা।
মাজারের নারী খাদেম বিনা বলেন, “কুকুরটি পাগল ছিল এবং কয়েকদিন ধরে মানুষকে আক্রমণ করছিল। কেউ এটিকে কুমিরের খাবার হিসেবে দেয়নি। সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।”
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিয়া খাতুন জানান, “ঘটনাটি তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানানো হবে।”


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন